
পবিত্র মাহে রমজান আসতে বাকি আর মাত্র ১৪৭ দিন। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী, আগামী ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) থেকে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বজুড়ে পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। তবে ইসলামী নিয়ম অনুযায়ী সিয়াম সাধনার এই মহিমান্বিত মাস শুরুর চূড়ান্ত দিনক্ষণ নির্ভর করবে ওই সময়ে আকাশে হিজরি মাসের নতুন চাঁদ দেখার ওপর।
ইসলামিক বা হিজরি বর্ষপঞ্জি মূলত চাঁদের আবর্তনের (চন্দ্র বছর) ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হওয়ার কারণে প্রতি বছরই ইংরেজি বা গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের চেয়ে রমজান মাস ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে আসে। এভাবেই প্রায় ৩৩ বছরের একটি বিশেষ চক্র সম্পূর্ণ করে বছরের প্রতিটি ভিন্ন ভিন্ন ঋতুতে (গ্রীষ্ম, বর্ষা, শীত বা শরৎ) সিয়াম সাধনার অনন্য সুযোগ লাভ করেন বিশ্বের মুসলিমরা।
২০২৭ সালের সম্ভাব্য রমজান ও ঈদুল ফিতরের সময়সূচি
জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী সম্ভাব্য দিনক্ষণগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- রমজানের চাঁদ দেখার চেষ্টা ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭ রোববার (সন্ধ্যা)
- প্রথম তারাবিহ অনুষ্ঠিত ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭ রোববার (রাত)
- প্রথম রোজা শুরু ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭ সোমবার
- শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা ৯ মার্চ, ২০২৭ মঙ্গলবার (সন্ধ্যা)
- পবিত্র ঈদুল ফিতর ১০ মার্চ, ২০২৭ বুধবার
৩৩ বছরের চক্র ও ঋতু পরিবর্তন
হিজরি সন চন্দ্রকলা নির্ভর হওয়ায় সৌর বছরের তুলনায় হিজরি বছর প্রায় ১১ দিন ছোট হয়। এর ফলে:
৩৩ বছরের চক্র: প্রতি ৩৩ বছর পর পর রমজান মাস ঘুরে আবার বছরের আগের একই ঋতু বা মাসে ফিরে আসে।
সব ঋতুতে রোজা: এই ব্যবধানের কারণেই মানবজীবনে দীর্ঘ ও ছোট—সব ধরনের দিনের দৈর্ঘ্য এবং গ্রীষ্ম ও শীত—উভয় আবহাওয়ায় রোজা রাখার সুযোগ তৈরি হয়।
প্রতিবারের মতো এবারও নির্ধারিত সময়ে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকের পর চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করেই ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে।
এনএন




