গত মঙ্গলবার রাত থেকে জয়নবের পরিবার ও বন্ধুরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে তাঁরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
প্রায় দুই দিন জয়নব ও তাঁর তিন সন্তানের কোনো খোঁজ মিলছিল না।
গ্রেপ্তার এড়াতে ও সন্তানদের নিজের কাছে রাখতে কয়েক মাস ধরে জয়নব কার্যত গৃহবন্দী জীবন কাটাচ্ছিলেন। জয়নবের আশঙ্কা ছিল, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা যেকোনো সময় তাঁর সন্তানদের কেড়ে নিতে পারেন এবং তাঁকে গ্রেপ্তার করতে পারেন।
এর আগে গত বছর জয়নবের সাবেক স্বামী তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে সন্তানদের অপহরণের অভিযোগ করেছিলেন। বিবাহবিচ্ছেদের পর সন্তানেরা কার কাছে থাকবে, তা নিয়ে দুই অভিভাবকের মধ্যে টানাপোড়েন চলছিল। এ কারণে সন্তানদের কয়েক দফায় দুই অভিভাবকের মধ্যে হস্তান্তর হয়েছে। এ সময় উভয়ই একে অপরের বিরুদ্ধে সন্তান অপহরণের অভিযোগ তুলেছিলেন।
জয়নব সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ই-ক্রাইম বা ইন্টারনেটভিত্তিক অপরাধ আইনেও গ্রেপ্তার হতে পারেন। তিনি গত বছর তাঁর সাবেক স্বামী শেখ সাঈদের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডার একটি ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করেছিলেন।




