স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুর রহমান বলেন, ‘মেয়েটা তো এত অল্প বয়সে চলে গেল। কী কারণে এমন হলো, আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না। সঠিক তদন্ত হওয়া দরকার।’ স্থানীয় হালিমা খাতুন বলেন, ‘ছোটবেলা থেকে ঢাকায় মানুষ হয়েছে। গ্রামে তেমন আসা-যাওয়া ছিল না। এভাবে লাশ হয়ে ফিরবে, কেউ ভাবেনি।’
পরে গাবুরা পশ্চিমপাড়া সরদার বাড়ি জামে মসজিদের পাশে মরিয়মের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে মরিয়মকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এ সময় স্বজনদের পাশাপাশি শ্যামনগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অনিরুদ্ধ রায় ও বদিউজ্জামান, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য গোলাম মোস্তফাসহ এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফা বলেন, এত অল্প বয়সী একটি মেয়ের এমন মৃত্যুতে এলাকাবাসী মর্মাহত। তিনি তাঁর জন্য সবার কাছে দোয়া চান।


