তখন ট্রাইব্যুনাল বলেন, আইনে যদি উল্লেখ না থাকত, তখন তাঁরা বিষয়টি (বার কাউন্সিলের অনুমতি নিয়ে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ) বিবেচনা করতে পারতেন। আইনে বিষয়টি সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকায় এমন নির্দেশনা দেওয়ার এখতিয়ার তাঁদের নেই। তবে সালমান এফ রহমানের বিদেশি আইনজীবী নিয়োগের বিষয়টি বার কাউন্সিল নিষ্পত্তি করেছে কি না, করলে কী করেছে—তাঁরা (ট্রাইব্যুনাল) এ বিষয়ে নির্দেশনা দিতে পারেন। তখন বার কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ হলে আপিল করার সুযোগ থাকবে।
পরে সাংবাদিকদের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, তাঁরা বলেছেন, বিদেশি আইনজীবী ট্রাইব্যুনালের ডায়াসে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারবেন কি না, সে ব্যাপারে আইনে অনুমতির প্রয়োজন আছে। কিন্তু একজন আইনজীবীকে সহযোগিতা (অ্যাসিস্ট) করার জন্য, মামলা রেডি (প্রস্তুত) করে দেওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তিরই অনুমতির দরকার নেই। তাঁরা যদি সত্যি বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ করতে চান, তাহলে অবজারভার হিসেবে আনতে পারেন। অবজারভার হিসেবে তাঁদের আইনজীবীদের অ্যাসিস্ট (সহযোগিতা) করবেন, তাঁরা (আসামিপক্ষের বাংলাদেশি আইনজীবী) সাক্ষীকে প্রশ্ন করবেন।




