
ফাইল ছবি
নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা থাকায় ওই সময় বাদ দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে নির্দলীয় এই নির্বাচনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের কেউ অংশ নিতে পারবেন না বলে জানিয়েছে কমিশন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
তিনি জানান, চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। তবে একসঙ্গে দেশের সব ইউনিয়নে ভোট না নিয়ে ব্যয় সংকোচন নীতি অনুসরণ করে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজন করা হবে।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষকরাই প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় বাদ দিয়ে পরীক্ষার আগে অথবা পরে ইউপি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
ইউপি নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের কেউ এতে অংশ নিতে পারবেন না বলেও স্পষ্ট করেন আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করা হবে।
দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চলতি মাসের শেষেই ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে ব্যয় কমানোর বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ধাপে ধাপে ভোট আয়োজনের পরিকল্পনার কথাও জানান।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পাশাপাশি আসন্ন উপনির্বাচন নিয়েও কথা বলেন এই নির্বাচন কমিশনার। তিনি জানান, ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল কিছুদিনের মধ্যেই ঘোষণা করা হবে।
উপনির্বাচনগুলোতে ভোটারদের ভোটদান প্রক্রিয়া সহজ করতে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ভোটিং ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পোস্টাল ব্যালট ভোটিংকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও সহজ ও কার্যকর করাই ইসির লক্ষ্য বলে জানান তিনি।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিরাপত্তা জোরদারের পরিকল্পনার কথাও জানান আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি বলেন, সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর ব্যবস্থা করা হবে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের জন্য বডি ওর্ন ক্যামেরার সংখ্যা বাড়ানো হবে। যেকোনো বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে ড্রোন প্রযুক্তিও ব্যবহার করা হবে।
ভোটকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানের কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে কমিশন বদ্ধপরিকর বলেও জানান এই নির্বাচন কমিশনার।
প্রতিবেদক
চ্যানেল আই অনলাইন
চ্যানেল আই অনলাইন
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…

