‘হামমুক্ত’ জাপানে হামের প্রকোপ

‘হামমুক্ত’ জাপানে হামের প্রকোপ

হামের প্রকোপ টোকিও ও এর আশেপাশের তিনটি জেলায় সর্বোচ্চ। এই অঞ্চলে এখন পর্যন্ত মোট ১৮৩ জন রোগীকে শনাক্ত করা হয়েছে, যা দেশের মোট সংক্রমণের প্রায় অর্ধেক। এ ছাড়া কিছু জেলায় গুচ্ছাকার সংক্রমণ দেখা গেছে।

ধারণা করা হচ্ছে, বিদেশফেরত অথবা বেড়াতে আসা বিদেশি পর্যটকদের মাধ্যমে জাপানে হামের সংক্রমণ ঘটেছে। শুরুতে নিউজিল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়া থেকে এই ভাইরাস এসেছে বলে মনে করা হলেও বর্তমানে তালিকাটি আরও বিস্তৃত হচ্ছে।

বাংলাদেশে হামে আক্রান্ত ও মারা যাওয়াদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা বেশি হলেও জাপানে উদ্বেগ বেশি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়া বয়স্কদের নিয়ে।

বাহকের মাধ্যমে এই রোগ বিদেশ থেকে এসেছে বলে ধারণার কথা জানিয়েছে জাপানের সংবাদমাধ্যম মাইনিচি শিম্বুন। তবে তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কম টিকাদানের হারও অভ্যন্তরীণভাবে এবারের সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

জাপানে বিনা মূল্যে হামের যে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি রয়েছে, তা দুই ডোজভিত্তিক। প্রথমটি দেওয়া হয় ১ বছর বয়সে এবং অন্যটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রবেশের আগের বছরে। দুই ডোজের এই টিকাদান শুরু হয় ২০০৬ সাল থেকে। এর আগে টিকার একটি ডোজই দেওয়া হতো। আবার টিকা নেওয়া এড়িয়ে যাওয়া মানুষও রয়েছে। দ্বিতীয় ডোজের টিকা হামের বিরুদ্ধে ৯৭ থেকে ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত সুরক্ষা দেয় বলে চিকিৎসকেরা জানিয়ে আসছেন।