হুতিদের হাতে বাব আল-মানদেব গেলে যা হবে

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নির্বাচনের আগে অভিযান শুরুর সময়টিও ইরানকে ঘিরে সুস্পষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য দেখায় না; বরং তখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সমন্বয় বাড়ছিল। গত মাসে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির জন্যও এটি একটি বড় পরীক্ষা।

তবে হুতিদের অগ্রযাত্রা তাদের জন্যও কঠিন পরীক্ষা। দক্ষিণে এগোলে তাদের সরবরাহপথ দীর্ঘ হবে এবং অবস্থান বিমান হামলা, সমুদ্র অভিযান ও পাল্টা আক্রমণের কাছে বেশি উন্মুক্ত হবে। মোকা ও ধুবাব নিয়ন্ত্রণের অর্থ শুধু যুদ্ধ করা নয়; সড়ক, বন্দর ও অবকাঠামো নিরাপদ রাখা এবং স্থানীয় ও বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী সামলানোও। মোকা বিমানবন্দরে সৌদি হামলার লক্ষ্য সম্ভবত হুতিদের জনবল, ড্রোন ও গোলাবারুদ জড়ো করার সক্ষমতা কমানো।

মোকা থেকে সৌদি-সমর্থিত বাহিনীর প্রত্যাহার বাহিনী পুনর্গঠনের জন্য সামরিকভাবে যুক্তিযুক্ত হতে পারে। কিন্তু এর রাজনৈতিক ও সামরিক মূল্য অনেক। এর ফলে হুতিরা দ্রুত গতি পেয়ে বাব আল-মানদেবের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

হুতিবিরোধী শিবিরের বড় দুর্বলতা হলো অভ্যন্তরীণ বিভাজন। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কর্তৃপক্ষ, তারেক সালেহর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্স, তায়েজের বিভিন্ন বাহিনী, দক্ষিণাঞ্চলীয় বাহিনী এবং বিভিন্ন উপজাতীয় ও স্থানীয় গোষ্ঠীর লক্ষ্য এক নয়।