৫. প্রকল্প নেওয়ার সময় সম্ভাব্যতা যাচাই ঠিকমতো না হওয়ায় পরে নকশা পরিবর্তন, ব্যয় বৃদ্ধি ও সময়ক্ষেপণ হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন মূল্যায়নে এটি বড় কারণ হিসেবে চিহ্নিত।
৬. অনুমোদন, দরপত্র, ক্রয়—সব পর্যায়ে প্রশাসনিক জটিলতা ও ধীর সিদ্ধান্তের কারণে দীর্ঘসূত্রতা থাকে। এতে প্রকল্পের শুরুতেই সময় নষ্ট হয়।
৭. ক্রয়প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও জটিলতা, পুনরায় দরপত্র বা আপত্তির কারণে কাজ শুরুতেই দেরি হয়।
৮. তদারকি ও জবাবদিহির দুর্বলতায় প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ না হলে সমস্যা জমতে থাকে, সময়মতো সমাধান হয় না।
৯. সরকার বা নীতির পরিবর্তনে প্রকল্পের অগ্রাধিকার বদলে যেতে পারে, ফলে কাজ থেমে যায় বা ধীর হয়। যেমন, এবার রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে নতুন সরকার এসে পুরোনো কিছু প্রকল্প যাচাইবাছাই করতে কমিটি গঠন করেছে। সেই কমিটি এখন যাচাই করে সুপারিশ করবে। এই সময়ে হয়তো ওইসব প্রকল্পের কাজ ধীরগতি থাকবে, অর্থ ছাড় কমবে।
১০. দুর্নীতি ও অপচয়ের কারণে কাজের মান খারাপ হওয়া, অপ্রয়োজনীয় ব্যয়—এসব কারণে প্রকল্প বারবার সংশোধন করতে হয়, সময় বাড়ে।




