২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৩০ শতাংশ যানবাহন হবে বিদ্যুৎচালিত – DesheBideshe

২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৩০ শতাংশ যানবাহন হবে বিদ্যুৎচালিত – DesheBideshe


২০৩০ সালের মধ্যে দেশের ৩০ শতাংশ যানবাহন হবে বিদ্যুৎচালিত – DesheBideshe

ঢাকা, ১৪ জুলাই – দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৩০ শতাংশ যানবাহনকে ইলেকট্রিক বা বিদ্যুৎচালিত মোটরযানে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। জাতীয় সংসদে এক অধিবেশনে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক গাড়ির জনপ্রিয়তা বাড়ছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পথে হাঁটছে।

সরকারের এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ইতিমধ্যে ইলেকট্রিক মোটরযানের নিবন্ধন ও চলাচল সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন শেষ করেছে। মন্ত্রী উল্লেখ করেন যে কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে পরিবেশ দূষণ রোধে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ।

বিশেষ করে এনডিসি অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহন খাত থেকে ৩.৪ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য পূরণে এই পদক্ষেপ অত্যন্ত কার্যকর হবে। ইলেকট্রিক যানবাহন জনপ্রিয় করতে বিভিন্ন প্রণোদনার কথা উল্লেখ করে সেতুমন্ত্রী বলেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য আমদানিকৃত ইলেকট্রিক বাসকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে এই ধরনের যানবাহন আমদানিতে মাত্র ১৫ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। অধিবেশনে সেতুর টোল ও ট্রেনের স্টপেজ সংক্রান্ত আলোচনায় মন্ত্রী জানান সেতু থেকে টোল আদায় অর্থ বিভাগের আওতাভুক্ত একটি রাজস্ব বিষয়।

তাই সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের পক্ষে এককভাবে টোল প্রত্যাহার সম্ভব নয়। তবে ছোট সেতুর ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ রয়েছে।

আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ বাড়ানো প্রসঙ্গে তিনি বলেন সব স্টেশনে ট্রেন থামানো হলে যাতায়াতের মূল উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে। তাই এক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন।

এস এম/ ১৪ জুলাই ২০২৬