৩৩ বছরের সংগীতজীবন উদযাপনে সুইডেনে কনসার্ট করবেন বালাম | চ্যানেল আই অনলাইন

৩৩ বছরের সংগীতজীবন উদযাপনে সুইডেনে কনসার্ট করবেন বালাম | চ্যানেল আই অনলাইন

সংগীতাঙ্গনে ৩৩ বছরের পথচলা উদযাপন করতে প্রথমবারের মতো সুইডেনে কনসার্ট করতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী বালাম। আগামী ২৮ জুন স্টকহোমের হালুন্দা ফোকেটস হুস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে তার একক কনসার্ট।

মঙ্গলবার ২৩ জুন প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ‘সেলিব্রেটিং থার্টি-থ্রি ইয়ার্স অব বালাম’স মিউজিক্যাল জার্নি – লাইভ ইন স্টকহোম’ শিরোনামের এই আয়োজনের মাধ্যমে তার দীর্ঘ সংগীতজীবনের অর্জন ও জনপ্রিয়তাকে উদযাপন করা হবে। অনুষ্ঠানে বালাম তার জনপ্রিয় ও শ্রোতাপ্রিয় গান পরিবেশন করবেন।

ইউরোপ সফরের অংশ হিসেবে সুইডেনে আসার আগে ইতালির রোম ও ভেনিসে সংগীতানুষ্ঠানে অংশ নেবেন তিনি। এরপর স্টকহোমে প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশি দর্শকদের সামনে মঞ্চে উঠবেন।

বালামের আগমনকে ঘিরে সুইডেনে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনসার্টকে কেন্দ্র করে চলছে প্রচারণা, আর ভক্তদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে বিশেষ আগ্রহ।

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে বালাম বলেন, সুইডেনে এবারই প্রথম যাচ্ছি। প্রবাসী বাংলা গানের শ্রোতাদের সঙ্গে দেখা হবে, তাদের জন্য গান গাইতে পারব—এটা ভেবেই ভালো লাগছে। আশা করছি দারুণ কিছু অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরব।

বর্তমানে নতুন কয়েকটি গানের কাজ নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন এই শিল্পী। সম্প্রতি ‘ও প্রিয়তমা’ ও ‘রাজকুমার’ গান দিয়ে আবারও আলোচনায় আসেন তিনি।

অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে স্টেজ ফর ইয়ুথ মাল্টিকালচারাল অ্যাসোসিয়েশন সুইডেন। সংগঠনটির সভাপতি ও আয়োজক সংগীতশিল্পী ইলিয়াস হোসাইন বলেন, সুইডেনে বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য একটি স্মরণীয় সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দিতে চাই। বালামের মতো জনপ্রিয় শিল্পীকে প্রথমবার স্টকহোমে নিয়ে আসতে পেরে আমরা আনন্দিত। তিনি জানান, কনসার্টের সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। দর্শকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিকেল ৫টা থেকে দর্শকদের জন্য ভেন্যুর দরজা খুলে দেওয়া হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন খাবার ও ব্যবসায়িক স্টলও থাকবে।

আয়োজকদের আশা, এই কনসার্ট সুইডেনে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য গ্রীষ্মকালীন অন্যতম বড় সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত হবে। একই সঙ্গে প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলা গান ও সংস্কৃতিকে আরও কাছ থেকে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করবে।