ইরান-সমর্থিত ইরাকি মিলিশিয়াদের চলতি সপ্তাহে প্রকাশ করা ভিডিও ক্লিপগুলো ইউক্রেন যুদ্ধ অনুসরণকারী যেকোনো ব্যক্তির কাছে পরিচিত মনে হয়েছে।
ফাইবার অপটিক তার দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ড্রোন, যেগুলোকে জ্যামিং করে অকার্যকর করা যায় না, সেগুলো বাগদাদে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের একটি ঘাঁটির ওপর দিয়ে উড়ে বেড়াচ্ছিল। এরপর এফপিভি নামে পরিচিত ড্রোনগুলো হঠাৎ নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। আর সে লক্ষ্যবস্তু হলো, মাটিতে থাকা একটি মার্কিন ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার এবং একটি আকাশ প্রতিরক্ষা রাডার ব্যবস্থা।
এটি যুদ্ধের একটি নতুন কৌশল। আর এই কৌশলের প্রয়োগ ঘটছে মধ্যপ্রাচ্যে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে হাজার হাজার মার্কিন সেনা পাঠিয়েছেন। তাঁর সর্বশেষ কূটনৈতিক উদ্যোগ ব্যর্থ হলে তিনি হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং ইরানকে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করতে স্থল ও নৌ অভিযান পরিচালনার বিষয়টি বিবেচনা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এসব মেরিন ও সেনাসদস্যরা ইরানে অবতরণ করলে তাঁরা এমন একটি ড্রোন–নিয়ন্ত্রিত পরিবেশের মুখোমুখি হবেন, যা ইরাক ও আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের আগের সামরিক অভিযানের সঙ্গে খুব কমই মিল রয়েছে, সেখানে প্রধান হুমকি ছিল ছোট অস্ত্রের গুলি এবং মাটির নিচে পুঁতে রাখা বিস্ফোরক (আইইডি)।




