অনুষ্ঠানে কুমার শরৎকুমার রায়ের জীবন ও কর্ম তুলে ধরে বরেন্দ্র ইতিহাস পরিষদের একটি স্মারকপত্র প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি সফিকুল ইসলাম রচিত ‘বাংলার গৌরব বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়াম’ শীর্ষক গ্রন্থ প্রকাশ করেছে ঢাকার কথাপ্রকাশ প্রকাশনী।
বক্তারা বলেন, বরেন্দ্র রিসার্চ মিউজিয়ামে বর্তমানে প্রায় ১৮ হাজার প্রত্ননিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে, যার মধ্যে ৫ হাজার বছর আগের সিন্ধু সভ্যতার উল্লেখযোগ্য নিদর্শনও রয়েছে। এ ছাড়া নওগাঁর পাহাড়পুরের সোমপুর মহাবিহারসহ বিভিন্ন প্রত্নস্থানে খননের পথিকৃৎ ছিলেন শরৎকুমার রায়। ১৯২৩ সালের ১ মার্চ তাঁর অর্থায়নে সোমপুর মহাবিহারে শুরু হয় অবিভক্ত বাংলার প্রথম বৈজ্ঞানিক প্রত্নতাত্ত্বিক খনন।
বক্তারা আরও বলেন, কুমার শরৎকুমার রায়ের অবদান কেবল একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তিনি বরেন্দ্র অঞ্চলের ইতিহাস সংরক্ষণ, গবেষণা ও জাতিসত্তার পরিচয় নির্মাণে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর জীবন ও কর্ম নতুন প্রজন্মকে ইতিহাসচর্চায় উদ্বুদ্ধ করবে।



