কোস্টগার্ডের দাবি, আটক দুজনই সুন্দরবনের বনদস্যু করিম–শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য। তাঁদের মধ্যে রাজন শরীফ বাহিনীটির সেকেন্ড ইন কমান্ড এবং দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে ডাকাতি, জেলে ও বাওয়ালিদের জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত।
সংবাদ সম্মেলনে কোস্টগার্ড জাহাজ তৌফিকের নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট আশিকুল ইসলাম বলেন, রাজন শরীফের বিরুদ্ধে বাগেরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলা রয়েছে। অভিযান চলাকালে কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা পালানোর চেষ্টা করে। তখন ধাওয়া করে একটি বিদেশি একনলা বন্দুক, দুটি দেশীয় একনলা বন্দুক ও ২৪টি কার্তুজসহ ওই দুই দস্যুকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছে জিম্মি থাকা চার জেলেকে উদ্ধার করা হয়। জব্দ করা অস্ত্র-কার্তুজ ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।




