কিন্তু মমতার এই সিদ্ধান্তে তৃণমূলের বিধানসভার সদস্যদের (এমএলএ) বড় অংশ বিদ্রোহ করে বসে। দল থেকে বহিষ্কৃত এমএলএ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বড়সংখ্যক এমএলএকে নিয়ে বেরিয়ে গেছেন। তাঁরা ইতিমধ্যে বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসুকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন যে তাঁদের সঙ্গে তৃণমূলের ৮০ জনের মধ্যে ৫৮ জন এমএলএ আছেন। ফলে তাঁরাই ‘আসল তৃণমূল’।
আজ বুধবার তৃণমূলের ৫৮ জন এমএলএ পৃথক বা নতুন তৃণমূল কংগ্রেসের ঘোষণা দেন। এই অংশের দাবি, তাঁরাই হবেন ভবিষ্যতের বিরোধী দল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত তৃণমূল কংগ্রেস নয়।
জানা গেছে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দেখতে চাইছে তৃণমূলের নতুন অংশ। একসময় সিপিআইএম এবং পরবর্তী সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবারের বিধানসভা নির্বাচনে জিতেছেন।




