স্কোরলাইন যতটা একপেশে, ম্যাচটা ততটা ছিল না। শট, কর্নার এবং প্রতিপক্ষের বক্সে বল স্পর্শ—সব পরিসংখ্যানেই এগিয়ে ছিল কানাডা। মরক্কোর ৫ শটের বিপরীতে তারা নিয়েছে ১০টি শট। মরক্কো যেখানে কানাডার বক্সে মাত্র ১০ বার বল স্পর্শ করতে পেরেছে, কানাডা করেছে ৩২ বার। এমনকি মরক্কোর মাত্র ১টি কর্নারের বিপরীতে কানাডা নিয়েছে ১১টি।
তবে এত কিছুর পরও সুযোগ কাজে লাগানোর দক্ষতাই গড়ে দিয়েছে পার্থক্য। মাত্র চারটি শট লক্ষ্যে রেখে তিনটিতেই গোল করেছে মরক্কো। অন্যদিকে আধিপত্য বিস্তার হাতশূন্য সহ–আয়োজকদের।
টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপে শেষ আটে উঠে আবারও বড় কিছুর স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল ২০২২ সালের সেমিফাইনালিস্টরা। কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর প্রতিপক্ষ হবে ফ্রান্স ও প্যারাগুয়ের মধ্যকার জয়ী দল।




