উল্লেখ্য পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারকালে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বারবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, রাজ্যে কোনো ধর্ষণ, সন্ত্রাস বা খুন বরদাশত করা হবে না।
উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের উদাহরণ টেনে শুভেন্দু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ক্ষমতায় এলে ধর্ষণকারীদের ‘সকালে জমা নিয়ে বিকেলে খরচ’ (কঠোর ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ) করা হবে। গতকাল রাতের এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনাকে অনেকে মুখ্যমন্ত্রীর সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তবায়ন হিসেবে দেখছেন।
এ ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কড়া শাসনের প্রয়োজনীয়তা যেমন আলোচনা হচ্ছে, তেমনই অনেকে থমকে গেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের মতে, অতীতে ঘটে যাওয়া আরজি কর কিংবা কামদুনির মতো নৃশংস ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের যদি দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার হতো, তবে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হতো এবং মানুষ নির্ভয়ে শান্তিতে বসবাস করতে পারত।




