
বুয়েনোস আইরেস, ১৫ জুলাই – বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের লড়াই মানেই বিশেষ উত্তেজনা ও রোমাঞ্চ। দীর্ঘ সময় পর বিশ্বমঞ্চের সেমিফাইনালে আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী।
ঐতিহাসিক পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায় যে এই দ্বৈরথে ইংল্যান্ড কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে।
এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দল দুটি মোট ১৪ বার একে অপরের মোকাবিলা করেছে। এর মধ্যে ইংল্যান্ড জিতেছে ৬টি ম্যাচে এবং আর্জেন্টিনা জয় পেয়েছে মাত্র ২টিতে। অবশিষ্ট ৬টি ম্যাচ ড্র হয়েছে। তবে ১৯৯৮ বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ড্র হওয়া ম্যাচে টাইব্রেকারে জয়ী হয়ে পরবর্তী ধাপে পৌঁছেছিল আলবিসেলেস্তেরা।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আর্জেন্টিনার সবশেষ জয়টি এসেছিল ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে। সেই কোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিতর্কিত হ্যান্ড অব গড এবং বিখ্যাত গোল অব দ্য সেঞ্চুরির সুবাদে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে ২০০৫ সালে অনুষ্ঠিত সবশেষ প্রীতি ম্যাচে মাইকেল ওভেনের জোড়া গোলে ৩-২ ব্যবধানে জিতেছিল ইংল্যান্ড।
বিশ্বকাপের মঞ্চে এটি হতে যাচ্ছে এই দুই পরাশক্তির ষষ্ঠ দেখা। বিশ্বকাপে জার্মানির পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছে লাতিন আমেরিকার দেশটি। আগের পাঁচবারের দেখায় আর্জেন্টিনার পরিসংখ্যান খুব একটা সুখকর নয়। সেখানে তাদের ১ জয়ের বিপরীতে হার ২টি এবং ড্র হয়েছে বাকি ২টি ম্যাচ।
বর্তমান প্রেক্ষাপটে অপটা সুপারকম্পিউটারের বিশ্লেষণ অনুযায়ী লড়াইটি বেশ সমানে সমান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলায় থমাস টুখেলের শিষ্যদের জয়ের সম্ভাবনা ৩৭.৩ শতাংশ এবং আর্জেন্টিনার জয়ের সম্ভাবনা ৩২ শতাংশ হিসেবে ধরা হয়েছে। বাকি ৩০.৭ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে ড্র হওয়ার।
সামগ্রিকভাবে ইংল্যান্ডের ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা ৫২.৩ শতাংশ থাকলেও লড়াইটি যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে তা বলাই বাহুল্য।
এনএন/ ১৫ জুলাই ২০২৬






