বন্যায় হারিয়েছেন ঘর, কোথায় থাকবেন জানেন না দুই বৃদ্ধা

বন্যায় হারিয়েছেন ঘর, কোথায় থাকবেন জানেন না দুই বৃদ্ধা

গীতা বড়ুয়া জানান, তাঁর ঘরে ছোট্ট তিনটি কক্ষ ছিল। সেখানে সবাই মিলে থাকতেন। বন্যায় তাঁদের ঘর পুরোপুরি ভেসে না গেলেও মেরামত ছাড়া সেখানে থাকা সম্ভব নয়। তাঁর কাছে ত্রাণের আট কেজি চাল ছাড়া আর কোনো সম্বল নেই।

স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নদীর পানি বাড়তে শুরু করলে ৭ জুলাই পাইনুচিং মারমা ও গীতা বড়ুয়া বাড়ি ছাড়েন। পরে ৯ জুলাই পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে পাইনুচিং মারমার ঘর ভেসে যায়। গীতা বড়ুয়ার ঘরটি গাছের খুঁটির ওপর নির্মিত হওয়ায় পুরোপুরি ভেসে যায়নি। তবে স্রোতের আঘাতে দুমড়েমুচড়ে গেছে।

জানতে চাইলে উজানীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তিংম্যায়ী মারমা গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, পাইনুচিং ও গীতা বড়ুয়ার পরিবারের অসহায় পরিস্থিতি বিবেচনায় বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে তাঁদের আরও পাঁচ দিন থাকার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তাঁদের অন্য কোনো ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

জানতে চাইলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও পৌরসভার প্রশাসক এস এম মনজুরুল হক বলেন, গৃহহারা দুই বৃদ্ধা নারীর বিষয়টি জেনেছি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তাঁদের আরও কয়েক দিন থাকতে দিয়েছেন। তাঁদের ঘরের বিষয়টি নিয়ে কী করা যায়, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।