দেশের খাবার, গান, সংস্কৃতি, থিয়েটার, চলচ্চিত্র ও অনলাইনভিত্তিক বিভিন্ন সৃজনশীল কাজকে বৈশ্বিক বাজারে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, গ্রামগঞ্জে অনেক সৃজনশীল কাজ হচ্ছে, কিন্তু সেগুলোকে এত দিন অর্থনৈতিকভাবে কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। যথাযথ সহায়তা দিয়ে এসব সৃজনশীলতাকে বাজারযোগ্য পণ্যে পরিণত করতে হবে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সারদের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে অর্থমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও ফ্রিল্যান্সিংয়ের সঙ্গে যুক্ত মানুষের সৃজনশীলতাকে মূল্য সংযোজনের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী করা দরকার।
থাইল্যান্ডের ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ কর্মসূচির উদাহরণ দিয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশটির গ্রামের মানুষ বাড়িতে বসে পণ্য তৈরি করেন। সরকারের সহায়তায় কাঁচামাল, দক্ষতা উন্নয়ন, নকশা ও ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে এসব পণ্য বিশ্ববাজারে বিক্রির উপযোগী করা হয়েছে। বাংলাদেশেও এ ধরনের সহায়তাকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব।


