এ জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, দপ্তর ও সংস্থার নিয়োগপদ্ধতিতে সামঞ্জস্য আনার লক্ষ্যে বিদ্যমান নিয়োগ বিধিমালা পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেওয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গত ৪ আগস্ট প্রতিবেদন দেয়।
কমিটির প্রতিবেদনের পর আইনানুগ পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের মৌখিক নির্দেশনা চাওয়া হলে ওই বিভাগ থেকে প্রস্তাবিত বিশেষ বিধিমালার খসড়া পাওয়া যায়। কমিটির সুপারিশ ও ওই বিভাগের পরামর্শের ভিত্তিতে বিধিমালা প্রণয়নের বিষয়ে গত ৩০ আগস্ট নিয়োগবিধি পরীক্ষণসংক্রান্ত উপকমিটির সভা হয়। সভায় সদস্যদের মতামত ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান পর্যালোচনা করে খসড়া প্রজ্ঞাপন ও তফসিল প্রস্তুত করা হয়। সভার পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনার আলোকে প্রস্তাবিত প্রজ্ঞাপন ও তফসিল প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানোর সুপারিশ করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।
এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা সারসংক্ষেপ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছে। এখন পরবর্তী বিষয় তারাই দেখছে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান গতকাল মঙ্গলবার সচিবালয়ে বলেছেন, বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে বা বৈষম্য সৃষ্টির জন্য নয়, বরং দক্ষ ও যোগ্য প্রশাসনিক জনবল নিশ্চিত করতেই সরকার এই পরিবর্তন আনছে। একই সঙ্গে মৌখিক পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে নিয়োগের মানোন্নয়নের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।


