ফুটবল ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে লিওনেল মেসির নাম। তবে মহাকাশে এ বছর শুধু একটি নক্ষত্রই ঝরেনি, ঝরেছে আরও নক্ষত্র। নেইমার জুনিয়র, হামেস রদ্রিগেজ, নিকোলাস ওতামেন্দির মতো ফুটবল নক্ষত্ররাও বিদায় জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক ফুটবলকে।
ফুটবলকে এক পাশে রাখলে ব্যক্তিগত জীবনে মেসি যথেষ্ট সাদামাটা। কখনো তেমন কথার খই ফুটতে দেখা যায়নি তাঁর মুখে। তবে ২২ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ সৌদি আরবের কাছে হারের পর মেসি বলেছিলেন, ‘সমর্থকদের বলব, আমাদের ওপর বিশ্বাস রাখুন, আমরা আপনাদের হতাশ করব না। কোনো অজুহাত দেব না, আমাদের এখন আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
একটি ঘটনা এখনো স্মৃতিতে জ্বলজ্বল করে। ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপের কনমেবল বাছাইপর্ব। আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম নাটকীয় ও স্নায়ুচাপের অধ্যায়। শেষ রাউন্ডের আগপর্যন্ত ১৯৭০ সালের পর প্রথমবারের মতো আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এখানেও ত্রাণকর্তা সেই মেসি! করলেন হ্যাটট্রিক, দলকে টেনে তুললেন বিশ্বকাপে। যেন ঈশ্বর তাঁকে দায়িত্ব দিয়েই পাঠিয়েছিলেন, ত্রাণকর্তা হিসেবে।
বন্ধু, খুলনা বন্ধুসভা




