১ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তি কীভাবে সামলান সাবা

১ হাজার কোটি রুপির সম্পত্তি কীভাবে সামলান সাবা

সাক্ষাৎকারে সাবাকে প্রশ্ন করা হয়, পরিবারের এই উত্তরাধিকারের আর্থিক মূল্য কি ১ হাজার কোটি রুপির বেশি? উত্তরে তিনি সম্মতি জানান। তবে তাঁর কাছে এই দায়িত্ব শুধু সম্পদ রক্ষা বা অর্থের হিসাব রাখার বিষয় নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধর্মীয় ঐতিহ্য, জনকল্যাণ ও বহু মানুষের সেবার বিষয়টি।

সাবা বর্তমানে ‘আওকাফ-এ-শাহি’ ট্রাস্টের মুতাওয়াল্লি। ওয়াক্ফ সম্পত্তির তত্ত্বাবধায়ক বা ব্যবস্থাপককে মুতাওয়াল্লি বলা হয়। ভোপালের নবাব পরিবারের সঙ্গে যুক্ত এই ট্রাস্টের অধীনে থাকা বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পদের দেখভাল করা তাঁর দায়িত্বের অংশ। তাঁর দাদি সাজিদা সুলতান ও বাবা মনসুর আলী খান পতৌদিও এই ট্রাস্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

সাবা জানান, ভোপালের এই প্রকল্পের সঙ্গে সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনায় হজযাত্রীদের আবাসনের ব্যবস্থাও জড়িত। ভোপাল থেকে হজ করতে যাওয়া মানুষদের থাকার সুবিধা নিশ্চিত করতে সেখানে ঐতিহ্যবাহী অতিথিশালা বা রুবাতের ব্যবস্থা করা হয়। এ জন্য ভবন অধিগ্রহণসহ নানা কাজ করতে হয়।

ট্রাস্টের অধীন মসজিদ ও অন্যান্য স্থাপনার রক্ষণাবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও সামলান সাবা। এ কাজে বিপুল অর্থের প্রয়োজন হলেও সেই অর্থ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহার করা হয় না, কিংবা ভারতে ফিরিয়ে এনে ব্যক্তিগত সম্পদ হিসেবে ভোগ করা হয় না বলে জানান তিনি। পরিবারের সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের সম্পর্কও ঐতিহ্যগত।