সরকারি দপ্তরে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির এক লাখ নিয়োগ আটকে গেল, কী বলছে অর্থ বিভাগ

সরকারি দপ্তরে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির এক লাখ নিয়োগ আটকে গেল, কী বলছে অর্থ বিভাগ

আউটসোর্সিং নিয়ে দুই মত

বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডে নিয়োগে পক্ষে বিপক্ষে বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যাঁরা অস্থায়ীভাবে নিয়োগ পেয়েছেন, তাঁদের অভিযোগ, সরকারি দপ্তরে নিয়োগের আগে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে বড় অঙ্কের টাকা দিতে হয়। আবার চাকরি হওয়ার পর প্রতি মাসে বেতন থেকে একটি অংশ কেটে রাখে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এটিকে দাসপ্রথা উল্লেখ করে সরকার যেন সরাসরি নিয়োগ দেয়, সে দাবি জানিয়ে আসছেন তাঁরা।

অন্যদিকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিকদের দাবি, বেসরকারিভাবে নিয়োগ হলে নিয়োগকৃত জনবলকে প্রশিক্ষিত করে তোলা হয়। কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তাঁদের জবাবদিহির আওতায় আনা হয়। সরকারিভাবে নিয়োগ হলে তাঁদের প্রশিক্ষিত করে তোলার মতো সক্ষমতা সরকারের নেই। আবার কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তাঁদের জবাবদিহির আওতায় আনা কঠিন।

বাংলাদেশ আউটসোর্সিং ম্যানপাওয়ার প্রোভাইডার সোসাইটির সভাপতি আবু তালেব প্রথম আলোকে বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ৫ লাখের বেশি জনবল সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের আগে তাঁদের প্রশিক্ষণ, তাঁদের নজরদারি ও জবাবদিহি সবই করে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান। এখন সরকার নিজেরাই চাইছে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ দিতে। এতে সরকারি কাজে বিশৃঙ্খলা বাড়বে বলে মনে করেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে এ নিয়োগ নিয়ে নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিও বাড়বে। তা ছাড়া বিপুলসংখ্যক জনবল নিয়োগে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতাও নেই।