এ বিষয়ে মো. মজিবর রহমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনার পর আমি নিকটস্থ নাকোল পুলিশ ফাঁড়িতে যাই। সেখান থেকে জানানো হয়, এটি মাগুরা সদর থানার মধ্যে পড়েছে। এরপর মাগুরা সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিই। ওখানে আমার আপনজন কেউ না থাকায় নিরাপত্তাহীনতার কারণে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে আসি। পরে ১৫ অক্টোবর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়ে আসি।’
এদিকে মাগুরা সদর থানার নথিতে দেখা যাচ্ছে, ২৮ অক্টোবর রাতে মাগুরা সদর থানায় দণ্ডবিধির ১৭০, ৩৯৫ ও ৩৯৭ ধারায় মামলাটি করা হয়েছে। মামলার তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত এ মামলায় মোট আটজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।




