চুড়িহাট্টা মসজিদের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে ২০০৮ সাল থেকে। গত বৃহস্পতিবার পবিত্র জোহর নামাজের জামাতের পরে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা হলো মসজিদের ইমাম মুফতি রশিদ আহমদ, মোয়াজ্জিন আল ইমরান, নাম প্রকাশ না করার শর্তে ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সদস্য, স্থানীয় প্রবীণ মুসল্লি মো. খোরশেদুল ইসলামসহ অনেকের সঙ্গে।
কথা বলে জানা গেল, মসজিদটিতে স্থান সংকুলান হচ্ছিল না। পুরোনো মসজিদের ভেতরে তিন কাতার ও সামনের বারান্দায় তিন থেকে চার কাতারে মাত্র তিন শর মতো মুসল্লি জামাতে অংশ নিতে পারতেন। কিন্তু এটা অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা। চারপাশে হাজারো দোকানপাট। মুসল্লির সংখ্যাও প্রচুর। এদিকে মসজিদটির জায়গা মাত্র পাঁচ কাঠার মতো। পুরোনো ভবনটি রেখে সম্প্রসারণ করার মতো জায়গাও পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে প্রয়োজনের তাগিদেই পুরোনো ভবনটি ভেঙে নতুন ভবন করার কাজ শুরু হয়।
প্রথম দফায় তৃতীয় তলা পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়। এ বছরই চতুর্থ তলার কাজ শেষ হয়েছে। নিচের তলার মেঝে, প্রধান মেহরাব, প্রতিটি সিঁড়ি মার্বেল পাথর দিয়ে মোড়ানো। অন্য তলার মেঝেতে বিছানো হয়েছে উন্নত টাইলস। শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বসানো হয়েছে। ছাদে ঝুলছে বিশাল ঝাড়বাতি। অজুর জন্য উভয় পাশে আছে প্রশস্ত অজুখানা। সব মিলিয়ে এখন প্রায় আড়াই হাজার মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন।



