<![CDATA[
নদী থেকে পলিথিন তুলতে গিয়ে নেত্রকোনার কলমাকান্দার পাহাড়ি নদীতে নিখোঁজের চার দিন পর কৃষক চাঁন মিয়ার মরদেহ ভেসে উঠলো।
শুক্রবার (১১ আগস্ট) সকালে ১০ টার দিকে উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের বৈঠাখালী গ্রামের মো. লতিফ মিয়ায় বাড়ির পাশে নদীতে ভেসে ওঠে।
৫৫ বছর বয়সী কৃষক চাঁন মিয়া খারনৈ ইউনিয়নের তিলকপুর গ্রামের মৃত লাল হোসেনের ছেলে।
এর আগে গত সোমবার (৭ জুলাই) সকালে বাগি থেকে বের হয়ে পাহাড়ি ছড়া নদী মঙ্গলেশ্বরীর বৈঠকখালী গ্রামে নির্মিত বাঁশের সাঁকো পার হওয়ার সময় বৃষ্টির জন্য দেয়া মাথায় থাকা পলিথিন পড়ে গেলে সেটি সাঁতরে তুলতে গিয়ে নিখোঁজ হন ওই গ্রামেরই কৃষক চাঁন মিয়া। সঙ্গে থাকাদের নিষেধ উপেক্ষা করে নদীতে নেমে গিয়ে হারিয়ে গেলে অন্যরা থানায় এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা গিয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় খোঁজ করলেও মরদেহ পায়নি।
আরও পড়ুন: কক্সবাজারে দুই নদীতে ভেসে উঠল ৩ মরদেহ
চাঁন মিয়ার সঙ্গে থাকা মো. বদু মিয়া বলেন, তারা তিনজন আমন ধানের চারা লাগানোর জন্য বৃষ্টির মধ্যেই বাড়ি থেকে রওনা হয়। বৈঠকখালী গ্রামে নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকো পার হওয়ার সময় চাঁন মিয়ার মাথায় থাকা পলিথিনের কাগজটি পানিতে পড়ে যায়। সেটি তোলার জন্য নদীতে নামেন চাঁন মিয়া। এরপর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. হুমায়ুন মিয়া বলেন, পলিথিনের কাগজ তুলতে গিয়ে নদীতে নিখোঁজ হওয়া চাঁন মিয়ার খোঁজে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে নিখোঁজের পর থেকে কলমাকান্দা ফায়ার সার্ভিস ও ময়মনসিংহ থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল দুইদিন উদ্ধার অভিযান চালিয়েও মরদেহ উদ্ধার করতে পারেনি।
শুক্রবার সকালে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলেই একটু দূরে চাঁন মিয়ার মরদেহ ভেসে উঠে।
এ ব্যাপারে কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল কালাম পিপিএম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি।
]]>
