বিতর্কের আরেক নাম হলো কঙ্গনা রানাউত। বরাবরই স্পষ্টবক্তা হিসাবেই পরিচিত নায়িকা। তবে এখন অবশ্য তিনি রাজনীতিবিদও। বহু বিতর্কে নাম জড়িয়েছে এই অভিনেত্রীর। কখনও তার ব্যক্তিগত জীবনকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে আলোচনা। কখনও আবার রাজনৈতিক মঞ্চে তার মন্তব্যে তোলপাড় হয়েছে সমাজমাধ্যম। রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও অভিনয়টাও সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছেন অভিনেত্রী।
এই মুহূর্তে কঙ্গনা ব্যস্ত তার নতুন ছবি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’র প্রচার কাজে। প্রতি দিন কোন না কোন প্রচার অনুষ্ঠানে দেখা যাচ্ছেই তাকে। যেখানে নায়িকার প্রতি দিনের সাজসজ্জা নিয়ে আলোচনা চলছে। অনেকেই কঙ্গনার শাড়ির সংগ্রহ জানতে খুব আগ্রহী।
সম্প্রতি ছবির প্রচারের সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে কঙ্গনাকে। সেখানেই তাকে প্রশ্ন করা হয়, বলিউডের অন্দরের কেউ তাকে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছেন কি না। সাধারণত যে কোন ছবির মুক্তির আগে, সহকর্মীরা (অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক) সংশ্লিষ্ট ছবির সঙ্গে যুক্ত শিল্পীদের শুভেচ্ছা জানান সমাজমাধ্যমে। আবার অনেকে ব্যক্তিগত ভাবেও কথা বলেন। কঙ্গনার ক্ষেত্রে কি এমনটা ঘটেছে?
এই প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব দেন অভিনেত্রী। কঙ্গনা বলেন, “ইন্ডাস্ট্রির কারও সঙ্গে আমার তেমন যোগাযোগ নেই। কেউ আমাকে মেসেজ করে না।” তাতে কি মনখারাপ হয় অভিনেত্রীর? সেই বিষয়ে কোন মন্তব্য করেননি তিনি।
সম্প্রতি ‘ডন ৩’ বিতর্কে কঙ্গনার মন্তব্য নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। মানুষ যত সফল হয়, তার তত শত্রু বৃদ্ধি পায়। রণবীর সিংয়ের উপরে ‘নিষেধাজ্ঞা’ নিয়ে এমনই মন্তব্য করে কঙ্গনা আবার বলেন, “ইন্ডাস্ট্রির সবার কাছে আমি ব্যান্ড। সেখানে আমি এই বিষয়ে কী বলতে পারি?”
সম্প্রতি ‘ডন ৩’ ছবি থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় বিতর্কে জড়িয়েছেন ‘ধুরন্ধর’ অভিনেতা। সেই বিতর্কে মুখ খুলেছেন কঙ্গনা। তাকে পাল্টা দিতে ছাড়েননি এফডব্লিউআইসিই-র প্রধান উপদেষ্টা অশোক পণ্ডিত। অশোকের দাবি, পুরো বিষয়টি না জেনেই মন্তব্য করেছেন কঙ্গনা।
সম্প্রতি নিজের আসন্ন ছবি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’র ঝলক মুক্তি অনুষ্ঠানে কঙ্গনা এই বিতর্ক নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, এক জন শিল্পী যত বড় এবং সফল হন, ততই তাকে বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়। ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে তিনি রণবীরের পক্ষেই কথা বলেন।





