বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা স্বল্প সুযোগে যে পরিমাণ ভালো করে, আমারিকান শিক্ষার্থীদের মতো সুযোগ পেলে তা নিশ্চয়ই বহুলাংশে বাড়ত। বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে এখনো জনমনে তেমন সচেতনতা নেই। এমনকি বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবার অবকাশই কারও নেই। তাতে করে যা হচ্ছে, তা নিশ্চয়ই ভালো কিছু বয়ে আনছে না। শিক্ষার্থীরা জানে না আবেগের সঠিক প্রকাশের ধরন। পারস্পরিক শ্রদ্ধাশীলতার যে ঘাটতি থাকে, তা তারা পরবর্তী জীবনেও বয়ে বেড়ায়। আসলে স্কুল কাউন্সেলর অথবা বিহেভিয়ার ইন্টারভেনশনিস্ট একজন সাইকোলজি গ্র্যাজুয়েট। স্কুলে যদি সাইকোলজিস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়, তাতে করে যেমন এই বিভাগ থেকে যাঁরা পাস করেন, তাঁদের কাজের সুযোগ তৈরি হবে, তেমনি শিক্ষার্থীরা শিখবেন আবেগের নিয়ন্ত্রণ। এক দিনে নিশ্চয়ই কিছুই বদলাবে না, কিন্তু শুরুটা তো করা চাই। স্কুলের পাঠ্যবইয়েও মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন তুলে ধরে পাঠ্যসূচি সাজানো যেতে পারে। তাতে করি যদি আমরা এই বিশাল তারুণ্যের শক্তি ইতিবাচকতায় ফিরিয়ে আনতে পারি, তা সবার জন্যই মঙ্গলের।
*লেখক: ফারহানা মিষ্টি, শিক্ষক, রিড মিডল স্কুল (স্প্রিংফিল্ড আর-১২ স্কুল ডিস্ট্রিক্ট), স্প্রিংফিল্ড, মিজৌরি, যুক্তরাষ্ট্র




