
ঢাকা, ৩ জুন – আইনি জটিলতার কারণে কয়েক দফা পিছিয়ে যাওয়া ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশে আরও বিলম্ব হতে পারে। ফলাফল প্রস্তুতের কার্যক্রম এখনও সম্পন্ন না হওয়ায় নির্দিষ্ট কোনো তারিখ জানাতে পারছে না প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে যে আগামী ১০ জুনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরই ফলাফল প্রকাশের চূড়ান্ত সময় ঘোষণা করা হতে পারে। বুধবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক এ এস এম সিরাজুদ্দোহা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান যে বর্তমানে ফলাফল তৈরির কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং ১০ জুনের পর বোঝা যাবে কবে নাগাদ এটি প্রকাশ করা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত ফল তৈরির কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন। অধিদপ্তর সূত্রে আরও জানা যায় যে নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার মাস পর গত ১৫ এপ্রিল বাংলা বিষয়ের মাধ্যমে এই পরীক্ষা শুরু হয়েছিল।
১৮ এপ্রিল প্রাথমিক বিজ্ঞান ও বিশ্বপরিচয় পরীক্ষার মাধ্যমে এবারের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এবারের পরীক্ষায় মোট ৬ লাখ ৪০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ এবং বেসরকারি কিন্ডারগার্টেনের প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে।
এ বছর মেধা ও কোটার ভিত্তিতে মোট ৮২ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হবে। এর মধ্যে ৬৬ হাজার জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং ১৬ হাজার ৫০০ জন বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। বৃত্তিপ্রাপ্তদের দুটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে।
ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার এবং সাধারণ কোটায় ৪৯ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীকে এই সুবিধা দেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং সাধারণ কোটার শিক্ষার্থীরা ২২৫ টাকা করে পাবেন। এছাড়া উভয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা বছরে একবার এককালীন ২২৫ টাকা আর্থিক সুবিধা লাভ করবে এবং পরবর্তী দুই বছর এই সুবিধা বহাল থাকবে।
এস এম/ ৩ জুন ২০২৬






