<![CDATA[
বরিশাল সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান সুজন ফেসবুক লাইভে এসে আত্মহত্যার ঘোষণা দিয়েছেন।
শুক্রবার (৩১ মার্চ) রাত ১১টার দিকে ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে লাইভ করে এ ঘোষণা দেন তিনি।
ওই লাইভে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আত্মহত্যার কারণ পারিবারিক নয়, পারিবারিকভাবে আমি সুখী আছি। এমন অবস্থায় পড়েছি নিজের তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকেও বলতে পারছি না কিছু। আমার আত্মহত্যার কারণ রুটি রুজির জায়গা বন্ধ হয়ে যাওয়া অর্থাৎ যে জায়গা থেকে আমার আয়ে সংসার চলত সেই পথ শনিবার থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ওই জায়গা হারিয়ে ফেলব কাল (শনিবার)। তাই কোনো পথ না পেয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে।’
১১ মিনিটের ওই ফেসবুক লাইভে আসার দুই ঘণ্টা আগে সুজন নিজ টাইমলাইনে লেখেন ‘কাল হয়ত আত্মহত্যা করতে পারি? কারণটা ডায়েরিতে লেখা থাকবে… হে আল্লাহ তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও…’।
আরও পড়ুন: সাবেক স্ত্রীর অন্যত্র বিয়ে হওয়ায় ছাত্রলীগ নেতার আত্মহত্যা
এই পোস্ট তিনি সাতজনের ফেসবুক আইডিতে ট্যাগ করেছেন। এরা হলেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল, মহানগর ছাত্রলীগের আহবায়ক রইজ আহম্মেদ মান্না, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মাইনুল ইসলাম, মহানগর আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ও জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন সেরনিয়াবাত সুমন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ উল ইসলাম সুমন, সাগর মেম্বার ও মাহাতাব হোসেন সুমন।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানিয়েছে, বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া বাসস্ট্যান্ডের একটি অংশ ও চরকাউয়া খেয়াঘাট নিয়ন্ত্রণ করত আশিকুর রহমান সুজন। এই দুই স্থানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে হয়ত কোনো দ্বন্দ্বে নিয়ন্ত্রণ হারানোর আভাস পেয়ে সুজন আত্মহত্যার ঘোষণা দিয়েছেন।
আরও পড়ুন: সুইসাইড নোট লিখে উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতির আত্মহত্যা
আত্মহত্যার ঘোষণার পর আশিকুর রহমান সুজনকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।
বরিশাল মহানগর পুলিশের বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, লাইভটি দেখেছি। এরপর আশিকুর রহমান সুজনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করতে পারিনি।
]]>



