বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বস্তি উন্নয়ন ও মোংলা বন্দরসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। এর অংশ হিসেবে রাজধানীর আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগ নিয়ে আগামী ২ সেপ্টেম্বর চুক্তি হওয়ার কথা রয়েছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খানের সঙ্গে বৈঠক শেষে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এসব কথা জানান।
২০২৮ সালে এই কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক চীন সফর অত্যন্ত সফল ও যুগান্তকারী হয়েছে। এ সফরের পর বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বস্তি উন্নয়ন ও মোংলা বন্দরসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী চীন।
ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে দুই দেশ কাজ করতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক ও সুবর্ণ সুযোগ তৈরি হয়েছে।
বৈঠকে এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পেও চীন বিনিয়োগ করবে।
তিনি জানান, আমিনবাজারে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পে চীনের বিনিয়োগ নিয়ে আগামী ২ সেপ্টেম্বর চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ২০২৮ সালে কেন্দ্রটি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে।
এদিকে, চীন থেকে যুদ্ধবিমান কেনার বিষয়ে জানতে চাইলে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

