দেশে লেখালেখির ক্ষেত্রে ইমদাদুল হক মিলনই প্রথম কথাসাহিত্যিক যিনি কম সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাধারণত কেউ দেশ ছাড়তে চায় না। অথচ ব্যস্ত লেখক ইমদাদুল হক মিলন ১৯৭৯ সালের অক্টোবরে হঠাৎ দেশ ছেড়ে জামার্নিতে চলে গিয়েছিলেন।
সেখানে শ্রমিকের জীবন কাটিয়েছেন দুই বছর। একুশে পদকে ভূষিত কিংবদন্তী লেখক ইমদাদুল হক মিলন এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-এ অংশ নিয়ে তার শ্রমিক জীবনের না বলা অনেক গল্পই শেয়ার করেছেন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন ও রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ একযোগে প্রচারিত হবে বিশেষ এই পডকাস্ট।
রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় ইমদাদুল হক মিলন এই পডকাস্টে জানিয়েছেন, জার্মানি যাবার জন্য এক ধরনের তাড়না তাকে বাধ্য করেছিল। তখন লেখালেখি করছিলেন বটে কিন্তু তেমন কিছু হচ্ছিলো না। নিজের মধ্যে মানসিক একটা যন্ত্রণা অনুভব করছিলেন। তার বন্ধুরা টাকা উপার্জনের জন্য বিদেশ চলে যাচ্ছিলেন তখন। এসব কারণে তিনিও ঠিক করলেন বিদেশেই থেকে যাবেন।
তিনি জানান, অনেকেই থেকে যেতে বলেছিলেন আর পারিবারিক চাপও ছিল। সেখানেও আলুর বস্তা কাঁধে নিয়ে শ্রমিকের জীবন যাপন করতে হয়েছিল, যা তাকে জীবন নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করে।
তিনি অনুভব করেন, লেখক হবার জন্যই তার জন্ম হয়েছে, অন্য কিছু নয়। এরপর ১৯৮১ সালের অক্টোবরে ৪০০ ডলার নিয়ে দেশে ফিরে আসেন।
‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’ প্রযোজনা করছেন জেড আই ফয়সাল।


