বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে অর্থনীতি ও অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেছিল। সেখানে জিডিপি (মোট দেশজ উৎপাদন) প্রবৃদ্ধি, কর-জিডিপি অনুপাত ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের ঋণ মওকুফ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে বিনিয়োগসহ নানা বিষয়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই বিএনপি সরকার এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয় এবং দ্রুত কাজ শুরু করে। বিশেষ করে তাদের অন্যতম প্রতিশ্রুত কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দ্রুত দেওয়া শুরু হয়েছে। এতে বোঝা যায়, সরকার এ বিষয়ে আগেই প্রস্তুতি নিয়েছিল।
মনে রাখতে হবে, ফ্যামিলি কার্ডের মতো কর্মসূচিতে উপকারভোগী বাছাইয়ে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি করা যাবে না। এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন হবে, সেটা কোথা থেকে আসবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে সরকারের ব্যয় মেটানো এবং এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে মূল্যস্ফীতি বাড়বে এবং ব্যক্তি খাতে অর্থায়নের ওপর প্রভাব পড়বে।




