৯২ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা, তারপর কানাডার ইতিহাস

৯২ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা, তারপর কানাডার ইতিহাস

বিরতির ঠিক আগে রিচি লারিয়াকে বক্সে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় পেনাল্টির জোরালো আবেদন করেছিল কানাডা। তবে ভিএআর পর্যালোচনার পরও পেনাল্টি দেওয়া হয়নি। সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হন কোচ জেসি মার্শ, মাঠ ছাড়ার সময়ও রেফারির প্রতি নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায় তাঁকে।

দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র। দক্ষিণ আফ্রিকা যেন শুরু থেকেই অতিরিক্ত সময়ের অপেক্ষায় ছিল। নিজেদের অর্ধে অনেক খেলোয়াড় রেখে কানাডার আক্রমণ ঠেকাতেই মনোযোগ ছিল তাদের। এর মাঝেও তানি ওলুওয়াসেয়ি একবার একা গোলরক্ষকের সামনে চলে গিয়েও উইলিয়ামসকে পরাস্ত করতে পারেননি। ফিরতি বলে জনাথন ডেভিডের প্রচেষ্টাও দারুণ রক্ষণে ব্যর্থ করে দেন এমবেকেজেলি এমবোকাজি।

মাঝপথে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন আলফন্সো ডেভিস। টুর্নামেন্টে চোট কাটিয়ে এই প্রথম খেলতে নেমে কিছুটা গতি আনলেও ম্যাচের চিত্র খুব একটা বদলাতে পারেননি কানাডার তারকা ফুটবলার।