ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সামলাতে দ. কোরিয়া থেকে থাড ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সামলাতে দ. কোরিয়া থেকে থাড ব্যবস্থা মধ্যপ্রাচ্যে সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

সম্ভাব্য এই ক্ষেপণাস্ত্র স্থানান্তরের বিষয়ে বেইজিংয়ের মন্তব্য জানতে চাইলে গত বুধবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন তাঁদের পুরোনো অবস্থানেই অনড় থাকার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘কোরিয়া প্রজাতন্ত্রে (দক্ষিণ কোরিয়া) মার্কিন থাড ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের বিষয়ে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।’

২০১৭ সালে যখন থাড স্থাপন করা হয়, তখন চীনই এর সবচেয়ে কঠোর সমালোচনা করেছিল। প্রথমত, এটি ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করেছে এবং বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান শক্তিকে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রেখেছে।

ওয়াশিংটন ও সিউল বলেছিল, উত্তর কোরিয়ার হামলা ঠেকানোর জন্যই এটা মোতায়েন করা হয়েছে। কিন্তু চীনের অভিযোগ ছিল, এই ব্যবস্থার রাডার এতটাই শক্তিশালী যে এর সাহায্যে চীনের ভেতরের অনেক দূর পর্যন্ত নজরদারি করা সম্ভব। ফলে চীনা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত করতে এগুলো ব্যবহার করা যেতে পারে, যা বেইজিংয়ের নিজস্ব প্রতিরোধ সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

এর জবাবে চীন অনানুষ্ঠানিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্য বর্জন করে। তারা দক্ষিণ কোরিয়ায় দলবদ্ধ ভ্রমণে ছয় বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা দেয় এবং কে-পপ কনসার্টগুলোও বাতিল করে দেয়।