ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা

ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড 
খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলা

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, খারগ দ্বীপে মার্কিন হামলায় বিমানবন্দর ও রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভিডিওতে বিস্ফোরণ দৃশ্য ও কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টকমের দাবি, হামলায় তারা দ্বীপটিতে থাকা ইরানের নৌ মাইন মজুত কেন্দ্র, ক্ষেপণাস্ত্র বাংকারসহ ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করেছে।

খারগ দ্বীপে হামলা প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মার্ক কিমিট বলেন, ‘এর অর্থ হলো আমরা এই যুদ্ধে ঝুঁকির মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিয়েছি।…এখন দেশটির অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা করছি।’

দ্বীপটিতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ‘আস্তানা’গুলোকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইরানের আইআরজিসি। তারা আবুধাবি ও দুবাইয়ের বন্দর এলাকার বাসিন্দাদের অবিলম্বে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্লেষক ভ্যালি নাসর বলেন, ‘খারগ দ্বীপে হামলা যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা হতে পারে।…তাই উভয় পক্ষ সংঘাতের মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইরান সম্ভবত পিছু হটবে না। ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।’

ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দূরের এই প্রবাল দ্বীপটির আয়তন ২২ বর্গকিলোমিটার। ইরানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের মতে, তিনটি প্রধান তেলক্ষেত্র—আবোজার, ফোরুজান ও দোরুদ থেকে তেল এখানে আসে এবং প্রক্রিয়াজাত হয়ে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ে। এখান থেকে বছরে প্রায় ৯৫ কোটি ব্যারেল তেল বিদেশে যায়।