
ঢাকা, ২৯ এপ্রিল – চাঁদে মানুষের স্থায়ী বসবাস আর নিছক কল্পনা নয় বরং পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যেই সেখানে মানব উপস্থিতি নিশ্চিত করা সম্ভব হতে পারে। মহাকাশ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান ভয়েজারের প্রধান নির্বাহী ডিলান টেইলর জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে প্রযুক্তি উন্নয়ন ও বিনিয়োগ দ্রুতগতিতে বাড়ছে। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে আয়োজিত এক আলোচনায় তিনি বলেন, ২০৩০ সালের আগে মানুষ আবারও চাঁদে যাবে এবং ২০২৮ সালের মধ্যেই প্রাথমিক ঘাঁটির কিছু অংশ চালু করা সম্ভব হতে পারে।
ডিলান টেইলরের মতে, শুরুতে চাঁদে বিশেষ ধরনের প্রসারণযোগ্য আবাস তৈরি করা হবে যা পৃথিবী থেকে ছোট আকারে ভাঁজ করে পাঠানো যাবে। চাঁদের মাটিতে পৌঁছানোর পর এগুলো কয়েক গুণ বড় হয়ে উঠবে এবং মানুষের বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থা সেখানে থাকবে। এবারকার লক্ষ্য কেবল স্বল্প সময়ের অভিযান নয় বরং দীর্ঘমেয়াদি অবস্থান নিশ্চিত করা। ২০৩২ বা ২০৩৩ সালের মধ্যে পৃথিবী থেকে চাঁদে মানুষের বসবাস ও কর্মচাঞ্চল্যের আভাস পাওয়া যেতে পারে। চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি তৈরিতে বর্তমানে একাধিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।
মার্কিন সরকারও এ খাতে বড় অঙ্কের অর্থায়ন করছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে একটি প্রাথমিক কাঠামো গড়ে তোলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্পেসএক্স চাঁদে স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর গড়ার পরিকল্পনা করছে এবং ব্লু অরিজিনও সেখানে মানব উপস্থিতি নিশ্চিত করতে তাদের কার্যক্রম জোরদার করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চাঁদের চরম তাপমাত্রা, বিকিরণ ও ধুলোর মতো প্রতিকূল পরিবেশ মোকাবিলায় উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োজন হলেও সেখানে সফলভাবে ঘাঁটি নির্মাণ করা সম্ভব।
এস এম/ ২৯ এপ্রিল ২০২৬






