ঢাকায় কারিনা কায়সারের শেষ জানাজা সম্পন্ন | চ্যানেল আই অনলাইন

ঢাকায় কারিনা কায়সারের শেষ জানাজা সম্পন্ন | চ্যানেল আই অনলাইন

রাজধানীর ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সারের শেষ জানাজা সম্পন্ন হয়েছে।

রোববার ১৭ মে রাত ১০ টায় অনুষ্ঠিত জানাজার পর উপস্থিত নেতারা জুলাইকে স্মরণ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, এ বি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম সদস্য সচিব আকরাম হোসাইন সিএফ, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম প্রমুখ।

এ ছাড়া ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ছাত্রসংগঠনের নেতারা জানাজায় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য এর আগে রোববার বিকেল ৫টার দিকে চেন্নাই থেকে কারিনার মরদেহ ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখান থেকে সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটে বনানী ডিওএইচএস মাঠে তার প্রথম জানাজা, রাত ৮টায় বনানী দরবার শরীফ মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তাকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। লিভারের জটিলতায় আক্রান্ত কারিনা এক সপ্তাহের বেশি সময় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১১ মে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয় এবং ভেলোরের খ্রিষ্টান মেডিক্যাল কলেজ (সিএমসি) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা তার লিভার প্রতিস্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করলেও বড় ধরনের অস্ত্রোপচার সহ্য করার মতো শারীরিক অবস্থা তার ছিল না। পাশাপাশি ফুসফুসে তরল ও কফ জমে থাকায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে এনে শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অস্ত্রোপচারের পর্যায়ে পৌঁছানোর আগেই শুক্রবার রাতে তার মৃত্যু হয়।