কৃষকের হাতের নাগালে দুই হাজার ছোট হিমাগার বানাবে সরকার

কৃষকের হাতের নাগালে দুই হাজার ছোট হিমাগার বানাবে সরকার

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংক নিযুক্ত ডিভিশন ডিরেক্টর জ্যঁ পেম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান অপরিসীম হলেও সম্প্রতি এর উৎপাদনশীলতা থমকে গেছে। মোট কৃষি বাজেটের ৮০ শতাংশই চলে যাচ্ছে সারের ভর্তুকিতে, যা ধনী কৃষকদের পকেটে চলে যাচ্ছে। ফলে গবেষণা ও সেচ অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো অর্থায়নের অভাবে ভুগছে।

বিশ্বব্যাংকের মতে, বাংলাদেশের কৃষি এখন বহুমুখী সংকটে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢালাও ভর্তুকি থেকে বেরিয়ে এসে স্মার্ট ও সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা প্রয়োজন বলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে একটি প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনার সঞ্চালনা করেন বিশ্বব্যাংকের রিজিওনাল প্র্যাকটিস ডিরেক্টর দিনা উমালি-ডেইনিঞ্জার। আলোচক হিসেবে ছিলেন সানেমের নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান। খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বাংলাদেশের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ জিয়াওকুন শি, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) রিসার্চ ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইউনুস এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের ডিরেক্টর উজমা চৌধুরী।

দেশের অর্থনীতি বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মানুষের খাদ্যাভ্যাস চাল থেকে ফলমূল, মাছ ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের দিকে ঝুঁকছে বলে উল্লেখ করেন আলোচকেরা। তাঁরা মত দেন, এই বাস্তবতায় স্বল্প মেয়াদে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং দীর্ঘ মেয়াদে কৃষির বহুমুখীকরণ জরুরি।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সানেমের কমিউনিকেশন অ্যাসোসিয়েট ফাহমিদা ফারজানা।