পরিচালক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে, আন্ধার বাংলাদেশের হরর ঘরানার অন্যতম বড় বাজেটের আয়োজন। ছবিটির বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে ভিএফএক্স ও গ্রাফিকস অ্যানিমেশনের কাজ। নির্মাতা জানান, কয়েক মাস ধরে মুম্বাইয়ের একটি স্টুডিওতে এসব কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁর বিশ্বাস, দীর্ঘদিন ধরে দেশের চলচ্চিত্রে হরর ঘরানার যে শূন্যতা ছিল, ‘আন্ধার’ সেটি অনেকটাই পূরণ করতে পারবে।
সিনেমাটিতে নাজিফা তুষির দুটি স্টিল ‘ফাঁস’ করা হয়েছে। একটিতে তুষি একা, অন্যটিতে তাঁর সঙ্গে আফসানা মিমি। ছবিতে তুষির চরিত্রের নাম নাদিয়া। স্টিল প্রকাশিত হওয়ার পর তুষি লিখেছেন, ‘প্রায় এক বছর ধরে চুপ ছিলাম। আর না! নাদিয়া এখন পর্যন্ত আমার অভিনীত সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র। এই চরিত্রে আমাকে নানা ধরনের আবেগের ভেতর দিয়ে যেতে দিয়েছে। ছিল কঠিন, আবার ভীষণ তৃপ্তিদায়কও। আমি যেমন কাজটি করে দারুণ সময় কাটিয়েছি, আশা করি বড় পর্দায় দর্শকদেরও ততটাই ভালো লাগবে।’ পাশাপাশি আফসানা মিমির সঙ্গে একটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করে নাজিফা লিখেছেন, ‘মিমি আপা মানেই ম্যাজিক। তাঁর সঙ্গে বড় পর্দায় কাজ করতে পারাটা আমার সৌভাগ্য।’




