যেভাবে নারীকে শোষণ করা হয়
ঘটনা ২০২২ সালের ১ আগস্ট থেকে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে। বাংলাদেশে প্রায় ১৮ বছর সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকা ওই নারীকে (যার নাম প্রকাশ করা হয়নি) কানাডায় রেস্তোরাঁয় চাকরি এবং অস্থায়ী কর্মসংস্থান প্রক্রিয়ার ( টিএফডব্লিউ) মাধ্যমে স্থায়ী বসবাসের আশ্বাস দেওয়া হয়।
কানাডায় আসার পর প্রথমে তাঁকে স্যাসকাচোয়ানের গিল লেক এলাকায় সোহেল হায়দারের পরিচালিত একটি রেস্তোরাঁয় এবং পরবর্তী সময় টিসডেল এলাকায় মোহাম্মদ মাসুমের রেস্তোরাঁয় কাজে বাধ্য করা হয়।
অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছে ওই নারীর বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছিল না। পারমিটের কাগজ প্রক্রিয়াধীন—এমন তথ্য দিয়ে তাঁকে সপ্তাহে ৬ দিন দীর্ঘ সময় খাটানো হতো এবং ঠিকমতো মজুরি দেওয়া হতো না। এই সুযোগে মোহাম্মদ মাসুম ওই নারীর বাংলাদেশি পাসপোর্ট নিয়ে নেন এবং শারীরিক বলপ্রয়োগের মাধ্যমে একাধিকবার যৌন নির্যাতন চালান, যাকে বিচারক আদালতের রায়ে স্পষ্টভাবে ধর্ষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
পরবর্তী সময় এলরোস (Elrose) শহরের একটি রেস্তোরাঁর নামে ভিন্ন একটি ওয়ার্ক পারমিট হলে সেখানে পৌঁছানোর পর ভুক্তভোগীর করুণ অবস্থা দেখে স্থানীয় কিছু সচেতন কানাডিয়ান নাগরিক সহযোগিতার হাত বাড়ান। তাঁদের সহায়তায় ভুক্তভোগী নারী ওই শোষণের জাল থেকে পালিয়ে আসতে সক্ষম হন এবং আইনি আশ্রয় নেন।




