ইউনিয়ন জামায়াতের আমির আবদুর রহমান বলেন, ওমর ফারুক ওয়ার্ড পর্যায়ের রোকন এবং তাঁর ভাই আবু বকর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি। তাঁর দাবি, ঘটনাটি দুই মাস আগের এবং দুই পরিবারের মধ্যে মীমাংসা হয়েছিল। বিএনপির লোকজন বিষয়টি বড় করে পুলিশকে ডেকেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওমর ফারুক দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গ্রাম্য চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। নিজ বাড়ির সঙ্গে থাকা একটি ফার্মেসি পরিচালনার পাশাপাশি স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতে শিশুদের প্রাইভেট পড়াতেন।




